প্রায় দুই বছর ধরে এক অসহনীয় যন্ত্রণার ভেতর দিন কাটাচ্ছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের হরিণাহাটা গ্রামের যুবক মো: মুনজু (পিতা: মো: বেল্লাল হোসেন)। শুলেই বুক চিরে আসে অসহ্য কাশি, আর কাশির সাথে বের হয় পাতলা কফ ও পুঁজ। বিছানায় শুয়ে ঘুমানোর সেই স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে গেছে তাঁর জীবন থেকে—১৩টি মাস ধরে প্রতি রাতে সারারাত বসে বসেই পার করতে হচ্ছে তাঁকে।প্রায় দুই বছর ধরে একের পর এক ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর ওষুধ খাওয়া চললেও কোনো চিকিৎসকই তাঁর সঠিক রোগটি নির্ণয় করতে পারেননি। অভিযোগ উঠেছে, আন্দাজের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসকরা তাঁকে একের পর এক উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে গেছেন। ভুল অ্যান্টিবায়োটিক ও ভুল চিকিৎসার নির্মম বলি হয়ে এখন তাঁর শরীর ও জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অমানিশা।অবশেষে এক মাস আগে ঢাকা হাসপাতালে নেওয়ার পর ধরা পড়ে সেই ভয়াবহ সত্য—সঠিক চিকিৎসার অভাবে মুনজুর ডান ফুসফুসের নিচের অংশটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দ্রুত অস্ত্রোপচারের (অপারেশন) মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কেটে না ফেললে তাঁর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে না।ঢাকা হাসপাতালের চিকিৎসকরা মুনজুকে মাত্র ৭ দিনের মধ্যে ভর্তি হয়ে অপারেশন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু অর্থাভাবে থমকে গেছে সেই জীবন রক্ষাকারী অপারেশন। আজ প্রায় ২৬ দিন পার হয়ে গেলেও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা সংগ্রহ করতে পারেনি তাঁর পরিবার। দিন যত যাচ্ছে, ততই বাড়ছে মৃত্যুর ঝুঁকি।একটি মানুষের জীবন বাঁচাতে হয়তো প্রয়োজন অনেকের সামান্য সহযোগিতা।
মুন্জুর পরিবার তাই সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছে—অর্থ দিয়ে, পাশে দাঁড়িয়ে কিংবা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে বাঁচিয়ে দিন মুনজুর জীবন।বসে বসে রাত জাগা আর কাশির সাথে পুঁজ বের হওয়া এই যন্ত্রণাক্লিশ যুবককে বাঁচাতে আজ সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। আসুন, আমরা যে যার সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। আর যদি আর্থিক সাহায্য করা সম্ভব না হয়, তবে পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন—হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই কোনো সহৃদয় ব্যক্তি এগিয়ে আসবেন মুনজুকে নতুন জীবন দিতে।
রোগী মো: মুন্জু সেখ
পিতা মো: বেলাল হোসেন
গ্রাম: হরিণাহাটা,বহুলী ইউনিয়ন,সিরাজগঞ্জ সদর,সিরাজগঞ্জ।